'ষড়ঋতু' কোন সমাস?
'ষড়ঋতু' কোন সমাস?
-
ক
বহুব্রীহি
-
খ
দ্বিগু
-
গ
দ্বন্দ্ব
-
ঘ
কর্মধারয়
- ব্যাসবাক্য: ষড় (ছয়) ঋতুর সমাহার = ষড়ঋতু।
- নিয়ম: যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে এবং পরপদের সাথে মিলিত হয়ে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। এখানে 'ষড়' (ছয় - সংখ্যা) ঋতু (বিশেষ্য) এর সমাহার বোঝাচ্ছে।
যে সমাসে সমস্যমান পদসমূহে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয় এবং উত্তর পদ বিশেষ্য থাকে তাকে দ্বিগু সমাস বলে। অথবা সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদে যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাস সর্বদা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়।
লক্ষনীয়ঃ পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকলে, ওই শব্দ দিয়ে যদি সমাহার বা সমষ্টি না বোঝায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য না পায়, তবে তা দ্বিগু সমাস নয়। অর্থের দিক থেকে দ্বিগু সমাসে পরপদের অর্থই প্রধান।
সমাসবদ্ধ শব্দটির বিশেষণ হলে বা পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে তৃতীয় কোনো অর্থ প্রাধান্য পেলে তা হবে বহুব্রীহি সমাস। যেমনঃ তে (তিন) পায়া যায় = তেপায়া; দোনলা, ত্রিনয়ন
উভয় পদের অর্থ প্রদান হলে তা হবে দ্বন্দ্ব সমাস। যেমনঃ সাতপাঁচ।
সমষ্টি বা সমাহার না বুঝিয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হলেন কর্মধারায় সমাস হয়। যেমনঃ চতুর্দোলা।
দ্বিগু সমাস নির্ণয়ের সহজ উপায়
দ্বিগু সমাসে সাধারণত প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং পর পদটি হবে বিশেষ্য।
সমস্তপদটি দ্বারা সমষ্টি বা সমাহার বোঝায় এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হয়। যেমনঃ তে (তিন) মাথার সমাহার = তেমাথা, নব (নয় ) রত্নের সমাহার = নবরত্ন ইত্যাদি।
দ্বিগু সমাস কখনো অ-কারান্ত হলে আ-কারান্ত হলে বা ই-কারান্ত হয়। যেমনঃ শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী। এ রুপ - ত্রিপদী, পঞ্চনদ (নদী নয়)।
Related Question
View All-
ক
বহুব্রীহি
-
খ
কর্মধারয়
-
গ
তৎপুরুষ
-
ঘ
দ্বিগু
-
ক
পরপদ
-
খ
পূর্বপদ
-
গ
উভয় পদ
-
ঘ
অন্য পদ
-
ক
অব্যয়ীভাব
-
খ
তৎপুরুষ
-
গ
দ্বিগু
-
ঘ
দ্বন্দ্ব
-
ক
দ্বিগু
-
খ
কর্মধারয়
-
গ
অব্যয়ীভাব
-
ঘ
কোনোটিই নয়
-
ক
দ্বন্দ্ব সমাস
-
খ
অর্থসূচক সমাস
-
গ
দ্বিগু
-
ঘ
বহুব্রীহি সমাস
-
ক
কর্মধারয়
-
খ
বহুব্রীহি
-
গ
অব্যয়ীভাব
-
ঘ
দ্বিগু
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন